বাক্য কাকে বলে? বাক্য কত প্রকার ও কী কী

বাক্য কাকে বলে
বাক্য কাকে বলে
বাক্য কাকে বলে

Table of Contents

বাংলা ব্যাকরণ

মানুষের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হলো ভাষা। যখনই তার মনের মধ্যে কোনো নতুন ভাবের উদয় হয় সেই মুহূর্তে সে কতকগুলি উপযুক্ত শব্দ নির্বাচন করে, সেগুলি পরপর সাজিয়ে, বাক্য তৈরি করে মনের ভাব প্রকাশ করে। ভাষার বৃহত্তম একক হল বাক্য। বাক্যের মাধ্যমেই ভাষার প্রকাশ ঘটে।

আজ আমরা যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব সেটি হলঃ বাক্য কাকে বলে? বাক্য কত প্রকার ও কি কি?

বাক্য কাকে বলে :-

ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ তাঁর ‘বাঙ্গালা ব্যাকরণ’ গ্রন্থে বাক্য কাকে বলে (bakko kake bole) তার আলোচনা করতে গিয়ে বলেছেন –

“একটি সম্পূর্ণ মনোভাব যে সমস্ত পদ দ্বারা প্রকাশ করা যায়, তাদের সমষ্টিকে বাক্য বলে।”

বাক্য কি এ সম্পর্কে মুনীর চৌধুরী ও মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী বলেছেন –

“যে সুবিন্যস্ত পদসমষ্টি দ্বারা কোনো বিষয়ে বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হয়, তাকে বাক্য বলে।”

সুতরাং বাক্য কাকে বলে এর উত্তরে আমরা বলতে পারি, এক বা একাধিক পদের দ্বারা যখন বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায়, তখন তাকে বাক্য বলে।

গঠন অনুসারে বাক্য কত প্রকার ও কি কি

গঠন অনুসারে বাক্য তিন প্রকার: যথা-

১। সরল

২। জটিল বা মিশ্র বাক্য

৩। যৌগিক বাক্য

সরল বাক্য কাকে বলে

সরল বাক্য:- যে বাক্যে একটি মাত্র উদ্দেশ্য ( কর্তা ) এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া ( বিধেয়) থাকে তাকে সরল বাক্য বলে।

উদাহরণ:- মিথ্যা বলার জন্য তোমার পাপ হবে।

ভালো ছেলেরা শিক্ষকের আদেশ পালন করে।

জটিল বা মিশ্র বাক্য কাকে বলে

জটিল বা মিশ্র বাক্য:- যে বাক্যে একটি প্রধান খন্ড বাক্যের এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্যে পরস্পর সাপেক্ষ ভাব ব্যবহৃত হয়, তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে।

উদাহরণ:- যেহেতু তুমি মিথ্যা বলেছ, সেহেতু তোমার পাপ হবে।

যারা ভালো ছেলে, তারা শিক্ষকের আদেশ পালন করে।

যৌগিক বাক্য কাকে বলে

যৌগিক বাক্য:- পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা বহু  সরল বা জটিল বাক্যের সমবায়ে গঠিত একটি পূর্ণবাক্যকে যৌগিক বাক্য বলে।

উদাহরণ:- যে মোটা বটে, কিন্তু তার গায়ে শক্তি নেই।

সত্য কথা বলিনি, তাই বিপদে পড়েছি।

অর্থ অনুসারে বাক্য কত প্রকার ও কি কি

অর্থ অনুসারে বাক্য ৫ প্রকার যথা:-

১। বর্ণনাসূচক বাক্য

২। প্রশ্নসূচক বাক্য

৩। ইচ্ছাসূচক বাক্য

৪। অনুজ্ঞাসূচক বাক্য

৫। বিষ্ময়সূচক বাক্য

সার্থক বাক্যের বৈশিষ্ট্য বা বাক্যের গুণ

একটি সার্থক বাক্যে তিনটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকে। যথা:-

১। আকাঙ্ক্ষা

২। আসত্তি

৩। যোগ্যতা

১। আকাঙ্ক্ষা:- এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা তাকে আকাঙ্ক্ষা বলে।

অথবা,

বাক্যের অর্থ ভালো ভাবে বোঝার জন্য যতগুলো পদের প্রয়োজন তার সব কটি যদি বাক্যে না থাকে এবং কোন এক বা একাদিক পদ অবশিষ্ট থাকে, তবে ওই অবশিষ্ট পদ শোনার ইচ্ছাকে বাক্যের আকাঙ্ক্ষা বলে।

ঢাকা বাংলাদেশের— তুমি আমাকে—

মনে আমাদের প্রশ্ন থেকে যায় ঢাকা বাংলাদেশের কী? তুমি আমাকে কী? আর্থাৎ আরো শোনার আকাঙ্খা পূর্ণ হলে বাক্যটি সম্পূর্ণ হতো।

২। আসত্তি:- বাক্যের অর্থ সঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদ বিন্যাসকে আসত্তি বলে।

অথবা,

বাক্যের সম্পূর্ণ মনোভাব প্রকাশের জন্য বাক্যস্থিত পদগুলোর সঠিকভাবে সাজিয়ে লেখা বা বলার নামই আসত্তি।

মাওলানা আবদুল হামীদ খান মহান নেতা ছিলেন। ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী।

৩। যোগ্যতা:- বাক্যস্থিত পদ সমূহের অর্থগত ও ভাবগত মিলবন্ধনের নাম যোগ্যতা।

যোমন:- সূর্য পূর্ব দিকে উঠে, পাখিরা আকাশে ওড়ে।

অর্থ অনুসারে বাক্যের প্রকারভেদ বা শ্রেণীবিভাগ

অর্থ অনুসারে বাক্যকে ৭ ভাগে ভাগ করা যায়। যথাঃ-

  • বর্ণনাত্মক বা নির্দেশাত্মক বাক্য
  • প্রশ্নবোধক বা প্রশ্নাত্মক বাক্য
  • অনুজ্ঞা বা আদেশসূচক বাক্য
  • ইচ্ছা বা প্রার্থনাসূচক বাক্য
  • কার্যকারণাত্মক বাক্য
  • সংশয়সূচক বা সন্দেহদ্যােতক বাক্য
  • আবেগসূচক বাক্য

বর্ণনাত্মক বা নির্দেশাত্মক বাক্যঃ 

যে বাক্য দ্বারা কোন কিছু বর্ণনা বা বিবৃতি করা হয় তাকে, বর্ণনাত্মক বা নির্দেশাত্মক বাক্য বলে। যেমন – গরু মাঠে ঘাস খায়। স্মৃতিসৌধ সাভারে অবস্থিত।

বর্ণনাত্মক বা নির্দেশাত্মক বাক্য আবার দুপ্রকার। যথাঃ

  • অস্থিবাচক বা হ্যাঁ বোধক বাক্য
  • নেতিবাচক বা না বোধক বাক্য

অস্থিবাচক বা হ্যাঁ বোধক বাক্য: যে বাক্য দ্বারা কোন ঘটনা, ভাব বা বক্তব্যের অস্থিত্ব বা হ্যাঁ সূচক অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে অস্থিবাচক বা হ্যাঁ বোধক বাক্য বলে। যেমন – ইফাদ চুপ করে রইল।

নেতিবাচক বা না বোধক বাক্য: যে বাক্য দ্বারা কোন ঘটনা, ভাব বা বক্তব্যের না সূচক অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে নেতিবাচক বা না বোধক বাক্য বলে। যেমন – ইফাদ কোন কথা বলল না।

আমাদের পথ নেই আর।
এ কলমে লেখা যায়না।
এখনো ছেলেটা বাড়ি ফেরেনি।

প্রশ্নবোধক বা প্রশ্নাত্মক বাক্য:

 যে বাক্য দ্বারা কোন কিছু জিজ্ঞেস করা বা জানতে চাওয়া হয়, তাকে প্রশ্নবোধক বা প্রশ্নাত্মক বাক্য বলে।

যেমন – তুমি কোন ক্লাসে পড়?, যাবে নাকি?

ছেলেটা কেমন পড়াশোনা করছে?
আমড়া গাছে কি আম হয়?
অদিতির গানের গলা কেমন?
কোয়েল কাল কোথায় যাবে?

ইত্যাদি ।

অনুজ্ঞা বা আদেশসূচক বাক্য:

 যে বাক্য দ্বারা আদেশ, নিষেধ, উপদেশ, আবেদন, অনুরোধ ইত্যাদি বোঝায়, তাকে অনুজ্ঞা বা আদেশসূচক বাক্য বলে।

যেমন: সদা সত্য কথা বলবে।

দয়া করে কথা বন্ধ রাখ।

দয়া করে চুপ করুন।
এখন মাঠে খেলতে যেও না।
বুড়ো মানুষের কথাটা শোনো।
আপনারা শান্ত হোন।

ইচ্ছা বা প্রার্থনাসূচক বাক্য: 

যে বাক্য দ্বারা মনের ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা, প্রার্থনা, আশীর্বাদ ইত্যাদি প্রকাশ পায়, তাকে ইচ্ছা বা প্রার্থনাসূচক বাক্য বলে।

যেমন – তোমার মঙ্গল হোক।

জীবনে সফল হও।
মানুষটা যেন দৃষ্টি ফিরে পায়।
আজ যেন বৃষ্টি না হয়।
সকলের কল্যাণ হোক।

কার্যকারণাত্মক বাক্য: 

যে বাক্য দ্বারা কোন কারণ বা শর্ত বোঝায়, তাকে কার্যকারণাত্মক বাক্য বলে।

যেমন – দুঃখ বিনা জগতে সুখ লাভ করা যায় না।

যতক্ষন শ্বাস ততক্ষণ আশ।
যদি ধোঁয়া দেখো বুঝবে আগুনও আছে।
পড়তে হয়, নাহলে পিছিয়ে পড়তে হয়।
যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা।

সংশয়সূচক বা সন্দেহদ্যােতক বাক্য: 

যে বাক্য দ্বারা কোন সন্দেহ, সংশয় কিংবা কোন সম্ভাবনা প্রকাশ পায় তাকে সংশয়সূচক বা সন্দেহদ্যােতক বাক্য বলে।

যেমন – হয়তো সুদিন আসবে।

মরে গেছে হয়তো।
এই বুঝি পা পিছলে পড়ে গেলাম।
সময়ের কাটা যেন থেমে গেছে।
বোধহয় ও পারবে।

আবেগসূচক বাক্য: 

যে বাক্য দ্বারা হর্ষ, বিষাদ, আনন্দ, বিস্ময়, বিহ্বল বা মনের আকস্মিক আবেগ বাা উচ্ছ্বাস প্রকাশ পায়, তাকে আবেগসূচক বাক্য বলে।

যেমন: আহা! কী দেখিলাম!
হায় রে পোড়া কপাল!
বাব্বা! কত উন্নতি করেছ!
হায় হায়! লোকটা অকালেই চলে গেল!

বিসিএস সহ বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা এমসিকিউ দেখে নেই

১.ভাষার প্রাণ কী?

উ: অর্থবোধক বাক্য।

২. বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক কী?

উ: শব্দ

৩. বাক্যের মৌলিক উপাদান কী?

উ: শব্দ

৪. বাক্যের অংশ কয়টি?

উ: দুটি

৫. গঠন অনুসারে বাক্য কত প্রকার?

উ: তিন প্রকার

৬. অর্থানুসারে বাক্য কত প্রকার?

উ: পাঁচ প্রকার

৭. আশ্রিত খণ্ডবাক্য কয় প্রকার?

উ: তিন প্রকার

৮. একটি স্বার্থক বাক্যে কয়টি গুণ থাকা আবশ্যক?

উ: তিন

৯.আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি, যোগ্যতা- বাক্যের কী?

উ: গুণ

১০.বাক্যস্থিত পদসমূহের অর্থগত ও ভাবগত মেল বন্ধনের নাম কী?

উ: যোগ্যতা

১১. বাক্যে এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছাকে কী বলে?

উ: আকাঙ্ক্ষা

১২. বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসকে কী বলে?

উ: আসত্তি

১৩. কোনো বাক্যে যার সম্বন্ধে কিছু বলা হয়, তাকে কী বলে?

উ: উদ্দেশ্য

১৪. উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলা হয় তাকে কি বলে?

উ: বিধেয়

১৫. ‘আসত্তি’ অর্থ কী?

উ: নৈকট্য

১৬.সাধারণত বাক্যে সমাপিকা ক্রিয়াপদ কোথায় বসে?

উ: শেষে

১৭. যে বাক্যে একটি মাত্র উদ্দেশ্য থাকে তাকে কী বলে?

উ: সরল উদ্দেশ্য

১৮. অসমাপিকা ক্রিয়াপদ বাক্যের কোথায় বসে?

উ: বিশেষণের পূর্বে

১৯. বাক্যে বিধেয়-বিশেষণ কোথায় বসে?

উ: বিশেষ্যের পরে

২০. সম্বন্ধপদ বাক্যে কোথায় বসে?

উ: বিশেষ্যের পূর্বে

২১. বাক্যে বহু পদময় বিশেষণ কোথায় বসে?

উ: বিশেষ্যের পূর্বে

২২.যৌগিক বাক্যকে সরলবাক্যে রূপান্তর করতে হলে কয়টি বিষয় মনে রাখতে হবে?

উ: পাঁচটি

২৩. মিশ্র বাক্যের অপর নাম কী?

উ: জটিল বাক্য

২৪. যৌগিক বাক্যের অপর নাম কী?

উ: সংযুক্ত বাক্য

২৫. কোন্ বাক্যের প্রতিটি বাক্যই স্বাধীন?

উ: যৌগিক

২৬. বাক্যের অপরিহার্য অঙ্গ কী?

উ: ক্রিয়াপদ

২৭. ‘আমার হূদয় মন্দিরে আশার বীজ উপ্ত হলো’- এটি কিসের ভুল?

উ: উপমার ভুল প্রয়োগ

২৮. তত্সম শব্দের সঙ্গে দেশীয় শব্দের প্রয়োগ কোন দোষ সৃষ্টি করে?

উ: গুরুচণ্ডালী দোষ

২৯. ‘আমার সঙ্গে প্রাপঞ্চ করেছ’- বাক্যটিতে কোন ধরনের দোষ ঘটেছে?

উ: দুর্বোধ্যতা

৩০. যৌগিক বাক্যের অন্যতম গুণ কী?উ: দুটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন

৩১. ‘মেঘ গর্জন করলে ময়ুর নৃত্য করে’- বাক্যটি কোন বাক্যের উদাহরণ?

উ: সরল বাক্যের

৩২.‘জ্ঞানীলোক সকলের শ্রদ্ধা পান।’ -এটি কোন ধরনের বাক্য?

উ: সরল বাক্য

৩৩.‘ লাল ফুল ফুটেছে’- এ বাক্যের উদ্দেশ্যের সমপ্রসারণ ঘটেছে কীভাবে?

উ: বিশেষণ যোগে

৩৪. ভাব অনুযায়ী বাক্য কয় প্রকার?

উ: দুই প্রকার।

৩৫.ভাষার মূল উপকরণ কী?

উ: বাক্য

৩৬.বাক্যের মূল উপাদান কী?

উ: শব্দ

৩৭.বাক্যের বিভিন্ন পদের মধ্যে কী থাকা আবশ্যক?

উ: পারস্পরিক সম্পর্ক বা অন্বয়

৩৮. বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসকে কী বলে?

উ: আসত্তি

৩৯. ‘আকাঙ্ক্ষা’ এর ইংরেজি প্রতিশব্দ কী?

উ: Expactancy.

৪০. ‘আসত্তি’ এর ইংরেজি প্রতিশব্দ কী?

উ: Order/Proximity

বাক্য প্রকরণ:

২৪. কোনটি যৌগিক বাক্যের উদাহরণ?

ক. তাঁর টাকা আছে, কিন্তু তিনি দান করেন না

খ. যখন বিপদ আসে, তখন দুঃখও আসে

গ. তাঁর বয়স হলেও বুদ্ধি হয়নি

ঘ. তার বাবা যায়নি

২৫. বাক্যের উদ্দেশ্য কত প্রকার?

ক. দুই প্রকার

খ. তিন প্রকার

গ. চার প্রকার

ঘ. পাঁচ প্রকার

২৬. উদ্দেশ্যের সঙ্গে কী যুক্ত থাকলে তাকে সম্প্রসারিত উদ্দেশ্য বলে?

ক. বিশেষ্যাদি খ. বিশেষণাদি

গ. কারকাদি ঘ. অব্যয়াদি

২৭. গঠন অনুযায়ী বাক্য কত প্রকার?

ক. দুই প্রকার খ. তিন প্রকার

গ. চার প্রকার ঘ. পাঁচ প্রকার

২৮. যে বাক্যে একটিমাত্র কর্তা ও একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে কোন বাক্য বলে?

ক. সরল বাক্য

খ. জটিল বাক্য

গ. যৌগিক বাক্য

ঘ. খণ্ড বাক্য

২৯. যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ড বাক্যের এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে কী বলে?

ক. জটিল বাক্য খ. যৌগিক বাক্য

গ. সরল বাক্য ঘ. আশ্রিত খণ্ড বাক্য

৩০. তৎসম শব্দের সঙ্গে দেশীয় শব্দের প্রয়োগ কখনো কখনো কী সৃষ্টি করে?

ক. দুর্বোধ্যতা

খ. বাহুল্য দোষ

গ. গুরুচণ্ডালী দোষ

ঘ. উপমার ভুল প্রয়োগ

৩১. ‘যে ভিক্ষা চায় তাকে দান করো’—এটা কোন বাক্যের উদাহরণ?

ক. সরল বাক্য খ. যৌগিক বাক্য

গ. মিশ্র বাক্য ঘ. খণ্ড বাক্য

৩২. আশ্রিত খণ্ড বাক্য কত প্রকার?

ক. দুই খ. তিন

গ. চার ঘ. পাঁচ

৩৩. কোনটি শুদ্ধ?

ক. একান্ত বাধ্যগত খ. একান্ত অনুগত

গ. একান্ত বিনয়গত ঘ. একান্ত বাধ্যানুগত

৩৪. মিশ্র বাক্য বিশ্লেষণে প্রথম কী প্রদর্শন করতে হয়?

ক. আশ্রিত খণ্ড বাক্য

খ. প্রধান খণ্ড বাক্য

গ. নিত্যসম্বন্ধীয় অব্যয়

ঘ. সংযোজক অব্যয়

৩৫. কোনটি জটিল বাক্যের উদাহরণ?

ক. মন দিয়ে পড়লে পরীক্ষায় ভালো করা যায়

খ. সত্য কথা বলিনি, তাই বিপদে পড়েছি

গ. আমি অনেক কষ্ট করেছি, তাই শিক্ষালাভ করেছি

ঘ. যখন বিপদ আসে, তখন দুঃখও আসে

৩৬. ‘তার চুল পেকেছে কিন্তু বুদ্ধি পাকেনি’—এটা কোন বাক্য?

ক. সাধারণ বাক্য

খ. মিশ্র বাক্য

গ. যৌগিক বাক্য

ঘ. সরল বাক্য

সঠিক উত্তর

বাক্য প্রকরণ: ২৪. ক ২৫. ক ২৬. খ ২৭. খ ২৮. ক ২৯. ক ৩০. গ ৩১. গ ৩২. খ ৩৩. খ ৩৪. খ ৩৫. ঘ ৩৬. গ.

আমাদের পোষ্ট গুলো প্রতিনিয়ত আপডেট করা হয়। বিসিএস,প্রাইমারি সহ সব পরীক্ষার প্রতিনিয়ত প্রশ্ন অনুযায়ী পোষ্ট গুলো আমরা আপডেট করি। সবার জন্য শুভ কামনা রইলো।

এতক্ষন আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *