বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা । ব্যবসার আইডিয়া । সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোনটি

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা
বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা

আমি আপনাদের কে বলবো আজ এমনি তিনটি বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া।

ক. ঘরে বসে ব্যবসা খ. দোকানের মাধ্যমে ব্যবসা ও গ. কৃষি ভিত্তিক ব্যবসা । প্রত্যেক ব্যবসার ধরন সম্পর্কে আজ আমরা বিস্তারিত জানবো। বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা

ক। ঘরে বসে ব্যবসাঃ

যাহারা ঘরে বসেই আয় করতে চান, তাদের জন্য চমৎকার কিছু ব্যবসার কথা বলব। আপনারা অল্প পুঁজি, মেধা ও শ্রমকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসায় সফলতা অর্জন করতে পারবেন।

আপনারা ঘরে বসেই শুধুমাত্র আপনাদের ব্যবসাটি সুন্দরভাবে পরিচালনার মাধ্যমে মাসে ২০,০০০-৫০,০০০ টাকা আয় করতে পারেন। আসুন জেনে নিই, ঘরে বসেই কি কি ব্যবসা থেকে আয় করা যায়।

১। টিউটর ব্যবসা

যাহারা শিক্ষিত বেকার আমি তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, আপনি যে বিষয়ে পারদর্শী যেমনঃ ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, আইসিটি ইত্যাদি। আপনার এই বিষয়টি পড়ানোর জন্য একটি বিজ্ঞাপন দিতে পারেন। বিজ্ঞাপন দেখে ছাত্র-ছাত্রীরা আপনার বিষয়টি পড়ার জন্য আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।

আপনি নিজ বাড়িতেই একটি রুমে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বসার ব্যবস্থা করবেন। হোয়াইট বোর্ড, মার্কার পেন, কিছু উপকরণ বাবদ আপনার সামান্য বিনিয়োগ হবে। শুধুমাত্র আপনার মেধাকে কাজে লাগিয়ে  সকালে ও বিকালে ছাত্রছাত্রীদের পড়াতে পারেন। ছাত্র-ছাত্রীদের পড়িয়ে প্রাইভেট টিউটর দিয়েই আপনি মাসে ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় করতে পারেন।

২। কোচিং ব্যবসা

আমাদের দেশে কোচিং ব্যবসা অত্যন্ত লাভজনক। প্রাইভেট টিউটর অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ায়, মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকেরা ছাত্রছাত্রীদের পড়াতে হিমশিম খেতে হয়। তাই একটি মানসম্মত কোচিং সেন্টারে সাশ্রয়ী খরচে তাহারা পড়তে চান। কোচিং ব্যবসায় সফলতার হার অনেক বেশি। কোচিং সেন্টার পরিচালনা করে মাসে 30 হাজার থেকে 40 হাজার টাকা আয় করা যায়। বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা

কোচিং ব্যবসা শুরু করার আগে আপনাকে ভাবতে হবে-

  • ভালো শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে
  • ভালো পরিবেশের ক্লাসরুম
  • মানসম্মত পরীক্ষার ব্যবস্থা
  • ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন।

৩। ই-কমার্স ব্যবসা

বর্তমানে বিশ্বে ই-কমার্স একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক  প্ল্যাটফর্ম। বিশ্বের প্রায় সকল দেশে এখন কমার্স  অত্যন্ত জনপ্রিয় ক্রয়-বিক্রয়ের সহজ মাধ্যম। বর্তমানে বাংলাদেশেও একটি জনপ্রিয় ও লাভজনক ব্যবসা হলো ই-কমার্স। প্রথমে আপনি একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করবেন। প্রয়োজনে একজন ফ্রিল্যান্সারের সহযোগিতা নিতে পারেন।

আপনি যে পন্যটি বিক্রি করতে চান তা প্রথমে নির্বাচন করুন এবং এটি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করুন । এস ই ও করুন এবং গুগল কিওয়ার্ড রেঙ্ক করুন। দেখবেন আপনি অসাধারণ ভাবে গ্রাহকদের মাঝে পণ্যটি বিক্রি করতে পারবেন। সঠিক উপায়ে কাজটি করতে পারলে, এই ব্যবসা থেকে অত্যন্ত লাভবান হবেন।

৪। এফিলিয়েট মার্কেটিং

এফিলিয়েট মার্কেটিং এখনো বিশ্বে সর্বোচ্চ লাভজনক ব্যবসা। বাংলাদেশে এখন এটি জনপ্রিয় ব্যবসায় পরিণত হয়েছে । এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে মাসে সর্বোচ্চ 10 হাজার ডলার আয় করা সম্ভব। এফিলিয়েট মার্কেটিং হল এক ধরনের ব্লগ সাইট । কমিশন অর্জনের জন্য এই সাইটের মাধ্যমে পণ্যের প্রচার দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে এফিলিয়েট মার্কেটিংএ সাধারণত অ্যামাজন, alibaba.com ও অন্যান্য ই-কমার্স সাইটের পন্যের প্রচার করে থাকে। কেউ যদি আপনার এফিলিয়েট লিংক থেকে কোনো পণ্য ক্রয় করে তাহলে, আপনি এই পণ্যের উপর কমিশন পাবেন।

৫। কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকার বদ্ধপরিকর। সেই সাথে বাংলাদেশের শিক্ষিত যুব সমাজের কম্পিউটার শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশাল জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য বিমোচনে শিক্ষিত যুব সমাজকে কম্পিউটার শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারলে, কম্পিউটারকে কেন্দ্র করে ভালো একটি পদ সৃষ্টি করতে পারবে।

কম্পিউটার শিক্ষা গ্রহণে ছাত্র-ছাত্রী ও যুব সমাজের আগ্রহ রয়েছে। তাই আপনি কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার এর মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা উপার্জন করতে পারেন। এ জন্য আপনাকে প্রথমে একটি ঘর নিতে হবে। কম্পিউটার সহ অন্যান্য সরঞ্জামাদি সংগ্রহ করতে হবে। বিজ্ঞাপন বা প্রচার করতে হবে। বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা

তাহলে, দেখবেন আপনার কাছে কম্পিউটার শেখার জন্য অনেক ছাত্র-ছাত্রী যোগাযোগ করতে শুরু করেছে। আপনি খুব সহজেই কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদন নিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের ৩ মাস ও ৬ মাস মেয়াদি সার্টিফিকেট প্রদান করতে পারবেন।

আপনার ট্রেনিং এ বিষয় রাখবেন-

  • এমএস ওয়ার্ড
  • এমএস এক্সেল
  • এমএস ফক্সপ্রো
  • গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • ওয়েব ডিজাইন ইত্যাদি
  • ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং
  • ভিডিও এডিটিং
  • ডিজিটাল মার্কেটিং ইত্যাদি।

৬। ইউটিউব চ্যানেল তৈরি

বাংলাদেশে ইউটিউব চ্যানেলের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে । আপনি একটি জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে পারেন । একটি ইউটিউব চ্যানেল থেকে মাসে হাজার হাজার ডলার আয় করা সম্ভব। আপনি যদি ইউটিউব চ্যানেলে ক্যারিয়ার গড়তে চান তাহলে, আপনাকে অবশ্যই সঠিক বিষয় নির্বাচন করতে হবে।

আপনার নিয়মিত ভিডিও আপলোড করার করতে হবে। যখন আপনার ভিডিওতে 4000 ঘন্টা ওয়াচ টাইম হবে এবং 1000 সাবস্ক্রাইবার পাবেন, তখন আপনি আপনার চ্যানেলের অ্যাডসেন্স এ মনিটাইজ এর জন্য আবেদন করতে পারবেন।

খ। দোকানের মাধ্যমে ব্যবসা

১। ওষুধের দোকান

বাংলাদেশ অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং সৌখিন প্রকৃতির ব্যবসা হল ঔষধের ব্যবসা। বিশাল জনগোষ্ঠীর এদেশে প্রচুর পরিমাণে ওষুধের চাহিদা রয়েছে । আমাদের দেশের লোক জনেরা অপুষ্টিকর খাবার গ্রহণ, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে বসবাস করে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। বিশাল জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য প্রচুর পরিমানের ওষুধের প্রয়োজন হয়।

আপনি আপনার পার্শ্ববর্তী বাজারে একটি ঘর ভাড়া নিয়ে, কিছু পুঁজি খাটিয়ে ওষুধের ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এটি অত্যন্ত লাভজনক ব্যবসা। এ ব্যবসায় সফলতার হার সবচেয়ে বেশি। লক্ষ্য করে দেখবেন, যারা ওষুধের সাথে জড়িত তারা কখনই এই ব্যবসাটা ছেড়ে যেতে চাই না।

২। কসমেটিকস দোকান

অন্যান্য ব্যবসার তুলনায় কসমেটিকস ব্যবসা অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে । সাধারনত এই ব্যবসার গ্রাহক মহিলারাই বেশি। এ ব্যবসায় পণ্য বিক্রির 30 থেকে 35 শতাংশ মুনাফা হয়।

আপনার নিকটস্থ বাজারে একটি ঘর ভাড়া নিয়ে অল্প পুঁজি খাটিয়ে এই ব্যবসাটি পরিচালনা করতে পারেন। কসমেটিকস আইটেম ব্যবহারে মেয়েদের আগ্রহ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই আপনি এই ব্যবসাটি পরিচালনা করে মাসে 30 থেকে 35 হাজার টাকা নির্দ্বিধায় আয় করতে পারবেন।

১৩। খেলনার দোকান

খেলনার চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে । ছোট সোনামণিদের আবদার রাখার জন্য বাবা মা খেলনা ক্রয় করে থাকে। যতদিন পৃথিবী থাকবে শিশুদের আগমন ঘটবেই। কাজেই খেলনার চাহিদা কখনোই শেষ হবার নয়। নতুন নতুন খেলনার প্রতি শিশুদের আকর্ষণ অত্যন্ত বেশি । তাই এই ব্যবসাটি দ্রুত শুরু করতে পারেন।

আপনার নিকটবর্তী বাজারে একটি রুমে বিভিন্ন ধরনের খেলনা সামগ্রী নিয়ে দোকান দিতে পারেন। মোট বিক্রির 25 থেকে 30 শতাংশ মুনাফা হয় ।২/৩ লাখ টাকা ইনভেস্ট করে এই ব্যবসা থেকে প্রতিমাসে ২০/৩০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব।

৩। ইলেকট্রনিক্স ব্যবসা

গ্রামে- শহরে সকল অঞ্চলেই ইলেকট্রনিক্স পণ্যের প্রতি যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। নিত্য পণ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল ইলেকট্রনিক্স পণ্য। গ্রামে- শহরের প্রতিটি বাড়িতেই ইলেকট্রনিক্স পণ্যের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ইলেকট্রনিক্স পণ্য গুলো হল-

  • রাইস কুকার , প্রেসার কুকার, মাইক্রোওভেন,
  • ইলেকট্রিক কেটলি, আয়রন, টিভি, এলইডি টিভি,
  • ফ্রিজ- রেফ্রিজারেটর, গ্যাসের চুলা, ইলেকট্রিক চুলা,
  • ব্লেন্ডার, হটপট সহ  নানা রকমের পণ্য।

আপনার নিকটস্থ বাজারে একটি রুম নিয়ে ইলেকট্রনিক্স ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এ ব্যবসার সফলতার হার বেশি। এ ব্যবসায় ১৫/২০ শতাংশ  লাভ করা যায়।  এ ব্যবসায় আপনাকে ৪/৫ লাখ টাকা ইনভেস্ট করতে হবে। এই ব্যবসা থেকে আপনি 40/ 50 হাজার টাকা মাসে আয় করতে পারবেন।

৪. মুদি দোকান

মানুষের জীবন যাপনের ক্ষেত্রে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর কোন বিকল্প নেই। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী গ্রাহকের কখনোই অভাব হয় না। যেমন- চাল, ডাল, তেল, বিস্কুট, চানাচুর, সাবান, ব্রাশ-টুথপেস্ট সহ শত ধরনের পণ্য রয়েছে যা আমরা প্রতিনিয়ত ব্যবহার করে থাকি।

এ সকল পণ্যের গ্রাহক সংখ্যা অত্যন্ত বেশি। তাই আপনি এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন আপনার নিকটস্থ বাজারে।

এই ব্যবসার সফলতা হার অনেক বেশি। এই ব্যবসাটি অল্প পুঁজি দিয়ে শুরু করা যায়। আর এ ব্যবসা থেকে অধিক মুনাফা অর্জন করা সম্ভব।

গ। কৃষি ভিত্তিক ব্যবসা

১। মৎস্য চাষ

মাছে-ভাতে বাঙালি। বাঙ্গালীদের যেন মাছ ছাড়া ভাত হজমই হতে চায়না। মৎস্য চাষ বাংলাদেশের কৃষি খাতের একটি অন্যতম উপখাত। জিডিপিতে অবদান ৩.৫৯ শতাংশ। কৃষি খাতের মোটা আয়ের ২২ভাগ আসে মৎস্য থেকে। প্রাণীজ আমিষের ৬০ ভাগ আসে মৎস্য থেকে।

আমাদের দেশে মাছের চাহিদা অত্যন্ত বেশি হওয়ায় আপনি নির্দ্বিধায় মাছ চাষের পেশাটা বেছে নিতে পারেন। আপনার বাড়ির পুকুরে, আর পুকুর না থাকলে এলাকায় পুকুর লিজ নিয়ে মাছ চাষ শুরু করেন। মাছ চাষের মাধ্যমে পর্যাপ্ত পরিমাণে মুনাফা অর্জন করা সম্ভব।

যে সকল মাছের জাত নির্বাচন করবেন –

  • পাঙ্গাশ , কই
  • পাবদা, গুলশা
  • রুই, কাতল
  • সর পুঁটি, কার্প  ইত্যাদি।

মাছ চাষে যে সকল বিষয় অত্যন্ত গুরুত্ব দিতে হবে-

  • খোলামেলা পরিবেশ ও পর্যাপ্ত আলো বাতাসের ব্যবস্থা
  • মাঝে মাঝে জাল টেনে মাছের ওজন মাপা
  • মাছের ওজন অনুযায়ী খাদ্য ও সরবরাহ করা
  • ভালো মানের খাদ্য সরবরাহ করা
  • রোগ নিরাময় ওষুধ সরবরাহ করা
  • মৎস্য অফিসে যোগাযোগ রাখা
  • পর্যাপ্ত বড় হলে বিক্রি করা।

২। ব্রয়লার ফার্ম

ব্রয়লার চাষ বাংলাদেশে একটি জনপ্রিয় ব্যবসা। ব্রয়লার মুরগির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এটি অত্যন্ত লাভজনক ব্যবসা। আপনার বাড়িতে একটি ঘরে ব্রয়লারের বাচ্চা উঠিয়ে ব্রয়লার পালন করতে পারেন।

ব্রয়লার চাষে প্রশিক্ষণ নিতে পারলে ভালো হয়। অল্প পুঁজি দিয়েই এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন।

তবে এজন্য আপনাকে যে সকল বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে-

  • সঠিক জায়গা নির্ধারণ
  • উন্নত জাতের ব্রয়লার বাচ্চা
  • ভালো মানের খাবার
  • সার্বক্ষণিক তদারকি
  • পরিষ্কার পরিছন্নতা
  • পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা
  • রোদ, বৃষ্টি ও শীত থেকে রক্ষা করা
  • ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা
  • ওজন অনুযায়ী খাদ্য সরবরাহ করা
  • স্থানীয় পশুসম্পদ অফিসের সাথে যোগাযোগ রাখা
  • পর্যাপ্ত বড় হলে বিক্রির ব্যবস্থা করা।

৩। ফল চাষ

মানুষের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় ফল এখন গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য। মানুষ শিক্ষা ও সচেতনতার পাশাপাশি ফলকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছে। সারা দেশব্যাপী ফলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তাই আপনি আত্মবিশ্বাসের সাথে ফলের চাষ শুরু করুন।

যে সকল লাভজনক ফল নির্বাচন করবেন-

  • পেঁপে, পেয়ারা
  • মালটা, কলা
  • তরমুজ, আম
  • বারোমাসি লেবু ইত্যাদি।

আপনি যে সকল বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন-

  • সঠিক জায়গা নির্ধারণ করুন
  • উন্নত জাতের ফল নির্বাচন করুন
  • পর্যাপ্ত আলো বাতাসের ব্যবস্থা করা
  • আগাছা পরিষ্কার করা
  • সেচ দেওয়া
  • জৈব ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ
  • বালাই নাশক ঔষধ ছিটানো
  • কৃষি অফিসের সাথে যোগাযোগ রাখা
  • ফসল উত্তোলন ও বিক্রি করা।

এতক্ষণ আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *